মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ
       
শিরোনাম :
সোনারগাঁওয়ে ইন্টোরিয়ার ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, গোডাউনে হামলা ভাংচুর সোনারগাঁওয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখা ও বিক্রির অপরাধে ৪ ফার্মেসীকে জরিমানা গ্রাম আদালত মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করতে চায় সরকার – এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান সোনারগাঁওয়ে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন,স্মারকলিপি ও মিছিল সোনারগাঁওয়ে মাদক ও অপরাধ নির্মূলে যুব সমাজের প্রচারণা নদী খননের নামে অবৈধ বালু উত্তোলন, ভাঙনের শঙ্কায় শতবর্ষী আনন্দবাজার হাট সোনারগাঁওয়ে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা সোনারগাঁওয়ে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ভাংচুর, স্বর্ণলংকার ও নগদ টাকাসহ ৪৫ লাখ টাকা লুট সোনারগাঁওয়ের প্রাচীন মসজিদের সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেছে প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি  সোনারগাঁওয়ে প্রবাসীর বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি, ২২ লাখ টাকার মালামাল লুট

বারদীর জহির চেয়ারম্যানকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁও নিউজ :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। বুধবার সকালে চেয়ারম্যানের ভাই ওবায়দুল হক ও তার ছেলে হাফিজুল হক দোলনকে বারদী বাজারে একা পেয়ে লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে ধাওয়া করে বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে মারধর করতে উধ্যত হয়। এসময় তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে চেয়ারম্যান জহিরুল হক বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।

বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক উল্লেখ করেন, উপজেলার বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দু’দফায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্র্বাচনে তিনি মনোনয় পাননি। কিন্তু নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে কোন প্রার্র্থীর পক্ষেও ছিলেন না। নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। এর মধ্যে নাজমুল হক নির্বাচিত হন। পরাজিত হয়ে ইব্রাহিম খলিল ইবু ও জাকির হোসেন নির্বাচনের দিন রাতে একত্রিত হয়ে তার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। ইব্রাহিম খলিল ও জাকির হোসেন পরাজিত হয়ে জহিরুল হক চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করে বাড়িতে গিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই তাইজুল ইসলাম, ভাতিজা সাকিব, তানজিল, ভাইয়ের স্ত্রী বিলকিস, মুন্না, আমেনা বেগম আহত হন। আহতদের ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। এছাড়াও নির্বাচনে পর্যবেক্ষনে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িসহ প্রায় ২০-২৫টি গাড়ি ভাংচুর করে। এ ঘটনার পর তৃতীয় ধাপে এ ইউনিয়নের বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুল মিমাংসা করে দেন।

এ ঘটনায় প্রায় এক মাস পর  বুধবার সকালে চেয়ারম্যানের ভাই ওবায়দুল হক ও তার ছেলে হাফিজুল হক দোলন বারদী বাজারে গেলে একা পেয়ে ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে সৈকত রাসেল, মানিকসহ ১০-১২ জনের একটি দল লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে ধাওয়া করে বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে মারধর করতে উধ্যত হয়। এসময় তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বিকেলে চেয়ারম্যান জহিরুল হক বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।
বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক বলেন, আমি এখনো এ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি। আমার ও আমার জিবনের নিরাপত্তা নেই। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার বাড়ি পর্যন্ত আমার পরিবারের সদস্যদের ধাওয়া করে নিয়ে যায়। জিবনের নিরাপত্তা চেয়ে সোনারগাঁ থানায় আমি সাধারণ ডায়েরী করেছি।

অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিল বলেন, জহির চেয়ারম্যান তার প্রভাবে ভাতিজাকে নির্বাচিত করেছেন। তবে হুমকির বিষয়ে কোন কথা বলেননি।

সোনারগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান জহিরুল হক নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

No comments to show.
© All rights reserved © Sonargaonnews 2022
Design & Developed BY N Host BD